দেশসেবা না নিজের সেবা
দেশের জন্য সেবা করছি না নিজের জন্য?
প্রশ্নটি অনেকবার মনের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সদুত্তর এখনও পর্যন্ত কোনও সঠিক পথ দেখাতে পারেনি।
প্রশ্নটি অনেকবার মনের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সদুত্তর এখনও পর্যন্ত কোনও সঠিক পথ দেখাতে পারেনি।
আত্মীয় স্বজন সব ছুটে গেছে, ভরসা শুধু মুঠোফোনে যোগাযোগ। বিয়ে-শাদি, জন্ম-মৃত্যু, ও অন্যান্য অনুষ্ঠানেও সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারি না। সাক্ষাতে আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধবের গঞ্জনা।
কে দায়ী আমি? না আমার ভাগ্য?
একটাই প্রশ্ন জীবনটিকে উৎসর্গ করলাম কার জন্য নিজের না দেশের?
একটাই প্রশ্ন জীবনটিকে উৎসর্গ করলাম কার জন্য নিজের না দেশের?
সহজেই চাকুরী ছেড়ে বাড়িতে বসে থাকা যায়, সামান্য কিছু উপার্জন করা অসম্ভব নয়। পারি না কি?
হয়তো সম্ভব।
হয়তো সম্ভব।
মোটা মাইনের চাকুরির লোভ সহজে ত্যাগ করার মত সাহস কজনের বা আছে আজকে যুগে, যেখানে সামান্য এক পিওনের চাকরির জন্য হাজার হাজার বেকার যুবক যুবতীর ভিড়, কে নেই সেখানে সাধারণ মাধ্যমিক পাশ থেকে PhD, ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত। শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা সব কিছুই নয়, তারপরও লাগে বিশাল অংকের উৎকোচ।
মাথা ঝিম ঝিম করে বেশি ভাবতে গেলে। আমরা আমাদের চিন্তাভাবনার সব দরজা বন্ধ করে ভাবতে ভুলে গেছি। কেননা আমাদের কাছে আছে স্মার্টফোন নামক যন্ত্র। হাতের মুঠোয় সমগ্র পৃথিবী।
বেকার কোনও চিন্তা নেই, স্মার্টফোন তো আছে সঙ্গী। আত্মীয় স্বজন হারানোর ভয় নেই, পাশে দাঁড়িয়ে আছে স্মার্টফোন।
কোনও চিন্তা নেই
