বুকের সন্ধিস্থানে জন্ম নিয়েছে নির্জীব ফসিল
তার শাখাপ্রশাখা গজিয়ে উঠছে নির্বিচারে
শহুরে বস্তিযায়নের চেয়েও দ্রুত গতিতে।
একদা শরীর জুড়ে ছিল সৈকতের চোরাবালি
দর্শনে গিয়ে যেন তলিয়ে গেল অতল গহীনে।
একটি মাত্র ক্ষীণ আলো জ্বলছিল একা একা
আমি নির্জীব চোখে
দাঁড়িয়ে রইলাম ব্যস্ত আর কোলাহলের ঐ শহরটাতে।
ইদানীং নিঃসঙ্গ গাঙচিলের ওড়া-উড়ি...
সামান্য হলেও বেড়েছে দিশাহীন নদীজুড়ে
অবশেষে হৃদয়ভেদী ফসিল উঁকি মারে আকাশে,
কণ্ঠে মায়াবী স্বাদ
অল্প অল্প এলাচির সামান্য সুঘ্রাণও আসছিল
সেখানেই দেখা নাস্তিকের দেহহীন আত্মার সাথে
আশ্চর্য পরবর্তীতে সবুজে পরিণত হয়।
ধীরে ধীরে,সংকুচিত হয় সূর্যের যাত্রা পথ
ভাঙা উতরোল স্বর শোনা যায় গুঞ্জনের মতো
আসন্ন আতঙ্কে নিষ্ঠুর মহাকাল
নিজের মাথার খুলিতে কানাই কানাই সুরা ভরে
পান করে শ্মশানের জ্বলন্ত চিতায় দাঁড়িয়ে
আর ফসিল সেখানেই দাঁড়িয়েছিল
বিব্রত,গোলকধাঁধার মতো।
