মধুর ক্ষণ
আমার ঘরের দখিনা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে
আলতো টোকা দিয়েছিলো মনের অলিন্দে।
সে এসেছিল,
হ্যাঁ সত্যি সত্যিই এসেছিল
তখন আমি আচ্ছন্ন ছিলাম গভীর ঘুমে।।
কিছু বেহিসেবী অম্ল মধুর স্বপ্নেরা ভিড় করেছিল
অজানা ভয়ে সিটিয়ে ছিলাম.....
কিছু কথা হয়েছিলো,
কিছু সংলগ্ন, কিছু কিছু অসংলগ্ন
মনে করতে পারছি না সেসব......
কিন্তু স্পষ্টই মনে পড়ে,
আগের মতোই, সে প্রাণ খুলে হেসেছিল
কপালে ছিলো চিরপরিচিত লাল রঙের সেই বড় টিপ
দুগাল বেয়ে শোভা পাচ্ছিল দু-জোড়া রেশমী মখমলে কেশ
খুশীতে দুলছিলো এদিক ওদিক....
আর তার ডান হাতে ছিল ছোট্ট একটি লাল গোলাপ
তার সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছিল আশেপাশে।
মাত্রাহীন তেজ ছিলো হৃদের গতি
বড্ড বেশিই....ভয় পেয়ে ছিলাম,
যদি এক ঝটকায় বন্ধ হয়, হৃদের কোলাহল.....
দর দর করে ঝরছিলো ঘাম,
ঠিক যেন বর্ষার অশান্ত ঝর্ণার মতো.....।
এক চঞ্চলা অষ্টাদশীর খিলখিলে হাসি
বারবার ব্যাঘাত সৃষ্টি করে
আমার ঘুমের সাম্রাজ্যে........
তবুও বিভোর ছিলো আমার স্বপ্নেরা।
এগিয়েই চলছি, তীব্র গতিতে
এঁকে বেঁকে কাঁচা আল বেয়ে.... মেঠোপথে
তখনও আচ্ছন্ন ঘুমিয়ে .....
ঠিক তখনই দেখা হলো রবির সাথে
সে যে ব্যস্ত খুনসুটিতে
এক টুকরো দুধ কালো মেঘের সাথে
হয়তো বা লুকোচুরিই খেলছে....।
কারো যেন আলতো ছোঁয়ায়,
সম্বিৎ ফিরে পেলাম....
সেই স্পর্শ , সেরকমই অনুভুতি...
ভেবেছিলাম তুমি!!!! আমার অষ্টাদশী
না, সে ছিল রবি মামার দুষ্টুমি
ফিরে এলাম বাস্তবের জগতে...
সত্যের মুখোমুখি.......।
চোখ মেলে দেখি
একফালি রোদ মিটিমিটি হাসে
আর যেন এক অবছায়া সামনে দাড়িয়ে....
হ্যাঁ, তোমারই স্মৃতির অম্ল মধুর ক্ষণ
ফোঁস ফোঁস করছিল
হয়তো, ভালো লাগার কৃত্রিম রাগে.....
তুমি এসেছিলে.....
হ্যাঁ সত্যি সত্যিই তুমি এসেছিলে
তখন আমি আচ্ছন্ন ছিলাম গভীর ঘুমে।।
+ ±+++
