মনটা খারাপ
আজকাল মনটা একটু বেশি বেশিই খারাপ থাকে।
একা একা আনমনে খালি পায়ে শহরের পথে পথে হাঁটি,
কখনো কখনো নেড়ি কুকুরগুলো কারণে অকারণে ঘেঁউ ঘেঁউ করে,
খুবই অসহ্য লাগে কিন্তু নিরুপায়।
ধুলো মাখা ফুটপাথে স্বপ্নরা বসে থাকে আপন কারও জন্যে,
হয়তো অনন্ত প্রতীক্ষায় আছে।
শহরের অলিতে গলিতে
এক একেকটা ইটের গায়ে লেখা থাকে গল্প,
যা আর কেউই পড়ে না,
বেচারা সময়, শুধু একা চুপচাপ পড়ে যায় সেসব অজানা গল্প
গল্পের শব্দগুলো অর্থহীন, হয়তো মূল্যবানও
এখনও সঠিক জহুরীর গোচর থেকে সহস্র যোজন দূরে।
প্রায়ই দেখি কালো মেঘেদের আনাগোনা
আজকাল একটু বেশিই,
হঠাৎ হঠাৎ করেই নামে বৃষ্টির ধারা
জানালায় জমে থাকা জঞ্জাল ধুয়ে দেয়
ধোঁয়ারা হারিয়ে যায় পরাজিত সৈন্যের মতো,
দূরের গাছেরা হাত নেড়ে জানায় —
"এখনো সবুজ বেঁচে আছে, তুমি কি দেখছো?"
কিছু মানুষ,
না না কোথাও যেনো ভুল হচ্ছে চিন্তাভাবনায়
হ্যাঁ, প্রায় সব মানুষেরাই হাঁটে মুখ ঢেকে,
প্রিয় অপ্রিয় কথাগুলো লুকিয়ে রাখে কাগজের খামে,
জানি, কোনও দিনই সে চিঠি পাঠাবে না কারোও কাছে,
তবুও একদিন খামের ভেতর থেকে বের হবে একফোঁটা দীর্ঘশ্বাস।
শতক পুরনো পরিত্যক্ত দোকানের জানালায়
ধুলো জমে থাকে বছরের পর বছর,
অনতিদূরে যথারীতি এক বৃদ্ধ বসে থাকে কাঠের বেঞ্চে,
যার ডান হাতটি কাঁপে অবিরাম,
বিড়বিড় করে প্রতিনিয়ত কিন্তু ঠোঁটে বেহিসেবী হাসি
তার চোখে যেনো শহরের ইতিহাস ভাসে
যে ইতিহাসের কোথাও উল্লেখ নাই বইয়ের পাতায়,
শুধু লুকিয়ে আছে তাঁর মলিন স্মৃতির পাতায়।
রাত নামলেই মায়াবী শহর বদলে যায়,
বাতির নিচে ছায়ারা দীর্ঘ থেকে হয় দীর্ঘতর,
বিষাক্ত বাতাসে ভেসে আসে পুরনো গান, ভাঙা রেডিওর সুরে।
এদিকে অভিমানী আকাশটি চুপচাপ অপেক্ষা করে
কেউ যেন আবার তার দিকে তাকায় অসহায় চোখে,
সিঁটিয়ে থাকা অজানা ভয়গুলিকে পাশে রেখে
নিজ হাতে সযত্নে সরিয়ে দেয় জমে থাকা ধূসর রঙ
প্রাণ ফিরে পায় তারারা
সযত্নে ঝেড়ে ফেলে সব অবাঞ্চিত ধুলো,
মাঝ আকাশে পুনরায় ঝিকমিক করে
আর চাঁদ ফিরে পায় তার পুরনো আলো
সেও কুণ্ঠিত হয়না, বিলিয়ে দিতে তার সহজাত খুশি
যেমনটি চেয়েছিলাম, সবকিছু ঠিকঠাক মিলে যায়,
তবু মনটা একটু বেশি বেশিই খারাপ থাকে।
একা একা আনমনে খালি পায়ে শহরের পথে পথে হাঁটি,
কখনো কখনো নেড়ি কুকুরগুলো কারণে অকারণে ঘেঁউ ঘেঁউ করে,
খুবই অসহ্য লাগে কিন্তু নিরুপায়।
ধুলো মাখা ফুটপাথে স্বপ্নরা বসে থাকে আপন কারও জন্যে,
হয়তো অনন্ত প্রতীক্ষায় আছে।
শহরের অলিতে গলিতে
এক একেকটা ইটের গায়ে লেখা থাকে গল্প,
যা আর কেউই পড়ে না,
বেচারা সময়, শুধু একা চুপচাপ পড়ে যায় সেসব অজানা গল্প
গল্পের শব্দগুলো অর্থহীন, হয়তো মূল্যবানও
এখনও সঠিক জহুরীর গোচর থেকে সহস্র যোজন দূরে।
প্রায়ই দেখি কালো মেঘেদের আনাগোনা
আজকাল একটু বেশিই,
হঠাৎ হঠাৎ করেই নামে বৃষ্টির ধারা
জানালায় জমে থাকা জঞ্জাল ধুয়ে দেয়
ধোঁয়ারা হারিয়ে যায় পরাজিত সৈন্যের মতো,
দূরের গাছেরা হাত নেড়ে জানায় —
"এখনো সবুজ বেঁচে আছে, তুমি কি দেখছো?"
কিছু মানুষ,
না না কোথাও যেনো ভুল হচ্ছে চিন্তাভাবনায়
হ্যাঁ, প্রায় সব মানুষেরাই হাঁটে মুখ ঢেকে,
প্রিয় অপ্রিয় কথাগুলো লুকিয়ে রাখে কাগজের খামে,
জানি, কোনও দিনই সে চিঠি পাঠাবে না কারোও কাছে,
তবুও একদিন খামের ভেতর থেকে বের হবে একফোঁটা দীর্ঘশ্বাস।
শতক পুরনো পরিত্যক্ত দোকানের জানালায়
ধুলো জমে থাকে বছরের পর বছর,
অনতিদূরে যথারীতি এক বৃদ্ধ বসে থাকে কাঠের বেঞ্চে,
যার ডান হাতটি কাঁপে অবিরাম,
বিড়বিড় করে প্রতিনিয়ত কিন্তু ঠোঁটে বেহিসেবী হাসি
তার চোখে যেনো শহরের ইতিহাস ভাসে
যে ইতিহাসের কোথাও উল্লেখ নাই বইয়ের পাতায়,
শুধু লুকিয়ে আছে তাঁর মলিন স্মৃতির পাতায়।
রাত নামলেই মায়াবী শহর বদলে যায়,
বাতির নিচে ছায়ারা দীর্ঘ থেকে হয় দীর্ঘতর,
বিষাক্ত বাতাসে ভেসে আসে পুরনো গান, ভাঙা রেডিওর সুরে।
এদিকে অভিমানী আকাশটি চুপচাপ অপেক্ষা করে
কেউ যেন আবার তার দিকে তাকায় অসহায় চোখে,
সিঁটিয়ে থাকা অজানা ভয়গুলিকে পাশে রেখে
নিজ হাতে সযত্নে সরিয়ে দেয় জমে থাকা ধূসর রঙ
প্রাণ ফিরে পায় তারারা
সযত্নে ঝেড়ে ফেলে সব অবাঞ্চিত ধুলো,
মাঝ আকাশে পুনরায় ঝিকমিক করে
আর চাঁদ ফিরে পায় তার পুরনো আলো
সেও কুণ্ঠিত হয়না, বিলিয়ে দিতে তার সহজাত খুশি
যেমনটি চেয়েছিলাম, সবকিছু ঠিকঠাক মিলে যায়,
তবু মনটা একটু বেশি বেশিই খারাপ থাকে।
